প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বগুড়ায় ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ চার পরীক্ষার্থী আটক
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বগুড়ার তিনটি পৃথক কেন্দ্র থেকে চারজন পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
শুক্রবার (জানুয়ারী ৯) বিকেল সময়ে জেলার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভিজিল্যান্স টিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম। আটককৃত কেন্দ্রগুলো হলো বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বগুড়া ওয়াইএমসিএ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বগুড়া কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এর মধ্যে বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন, ওয়াইএমসিএ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন এবং কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন পরীক্ষার্থী আটক হন।
আটক পরীক্ষার্থীরা হলেন, সুরাইয়া (৩০), স্বামী মো. ফিরোজ কবির, বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বড় মহান্দপুর গ্রামে; শরিফা (২৫), স্বামী মো. মশিউর, বাড়ি শিবগঞ্জ উপজেলার বারইপাড়া গ্রামে; মো. পিয়াল (২৯), পিতা কামরুজ্জামান, বাড়ি বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুভগাছা গ্রামে এবং রিয়াদুল জান্নাত (৩০), পিতা আবদুল খালেক, বাড়ি নন্দীগ্রাম উপজেলার হাটধুমা গ্রামে।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আটককৃতদের দেহ তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদে পরীক্ষায় নকলের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ডিভাইস ব্যবহার করে প্রশ্নের উত্তর আদান-প্রদানের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
No comments