শিরোনাম

১০ মিনিটও মাঠে থাকলেন না মেসি, ভাঙচুর চালালেন কলকাতার ক্ষুব্ধ সমর্থকরা

 



চ্যানেল টেন ডেস্ক ঃ

লিওনেল মেসি জ্বরে কাঁপছে ভারত। শুক্রবার মধ্যরাতে পা রাখেন আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ড। কলকাতার হায়াট রিজেন্সিতে ছিলেন তিনি।

সকালে ১১টায় শুরু হয় তাকে ঘিরে নানা আয়োজন। কিন্তু ঘণ্টাখানেক যেতেই এই উন্মাদনা রূপ নিলো ক্ষোভে। আয়োজনের দ্বিতীয় ভাগে যুব ভারতী স্টেডিয়াম রণক্ষেত্রে রূপ নেয়।

মোহনবাগান অল স্টার্স ও ডায়ামন্ড হার্বার্স অল স্টার্সের প্রদর্শনী ম্যাচের আগ দিয়ে যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছান মেসি। তার সঙ্গে ছিলেন দীর্ঘদিনের সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ ও রদ্রিগো ডি পল। সকালে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। তারপর ভার্চুয়ালি নিজের ৭০ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্য উন্মোচন করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। তখনো সাধারণ ভক্তদের তাকে সেভাবে দেখার সুযোগ হয়নি। এরপর বেলা ১২টার দিকে মেসি পৌঁছান যুব ভারতীতে। কিছুক্ষণ পর শুরু হয় হট্টগোল।

মেসিকে ভালোভাবে দেখার জন্য যুব ভারতী স্টেডিয়ামে অপেক্ষায় ছিলেন হাজারো ভক্ত-সমর্থক। সেখানে একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল। সফরের প্রথম দিন ঠিক সকাল সাড়ে ১১টায় যুবভারতীর মাঠে ঢোকে মেসির গাড়ি। তবে গাড়ি থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে বেশ কিছু মানুষ তাকে ঘিরে জটলা তৈরি করেন। 

মেসি যুবভারতীতে পৌঁছাতেই অন্তত ৭০-৮০ জন মানুষের ভিড় ঘিরে ধরে তাকে, যাদের মধ্যে অধিকাংশ মূলত মন্ত্রী, কর্তারা। ভালোভাবে হাঁটতেও পারছিলেন না আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী! ক্যামেরা ও মোবাইল হাতে তার সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তারা। এছাড়া নিরাপত্তা রক্ষীদের বেষ্টনী তো ছিলই। গ্যালারি থেকে তাকে দেখা যাচ্ছিল না। চড়া দামে টিকিট কেটে মেসিকে দেখতে যাওয়া ফুটবলপ্রেমীদের শেষ ভরসা ছিল স্টেডিয়ামের তিনটি জায়ান্ট স্ক্রিন। কিন্তু তাও দেখা যায়নি। মোহনবাগান এবং ডায়মন্ড হারবারের প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে মেসি পরিচিত হওয়ার সময়ও প্রচণ্ড ভিড় ছিল তাকে ঘিরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে মাইক্রোফোনে ঘোষণা করতে হয়। তাতেও স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি।

No comments