প্রভাবশালী নেতারা যখন সন্তানদের আড়ালে রাখতেন, মীর শাহে আলম তখন সন্তানকে নামিয়েছিলো স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে
বর্তমান যুগে অনেক প্রভাবশালী নেতাই যখন নিজের সন্তানদের আরাম-আয়েশ ও সুরক্ষার আড়ালে রেখেছেন, ঠিক তখনই ব্যতিক্রমী ও সাহসী এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন শিবগঞ্জের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
রাজপথের রক্তাক্ত আন্দোলন-সংগ্রামে স্বৈরাচারের বুলেটকে তুচ্ছ করে নিজের কলিজার টুকরো সন্তান মীর শাকরুল আলম সীমান্তকে তিনি তুলে দিয়েছিলেন দেশের ও দলের সেবায়—যা রাজনীতিতে এক অমর দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। রাজপথের প্রতিটি র'ক্তক্ষয়ী সংগ্রামে নিজের প্রিয় সন্তান মীর শাকরুল আলম সীমান্তকে তিনি নামিয়ে দিয়েছিলেন স্বৈ'রাচারবি'রোধী আন্দোলনের অ'গ্নিকু'ণ্ডে।
রাজনৈতিক চাটুকারিতা নয়, বরং নিজের অসীম সাহসিকতা ও যোগ্যতাবলে সীমান্ত তরুণদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। রাজনীতিতে এই তরুণ নেতার পথচলা কোনো মসৃণ গালিচায় ছিল না। ২০২১ সালের ১৬অক্টোবর তৃণমূলের প্রত্যক্ষ ভালোবাসায় সম্মেলনের মাধ্যমে শিবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।
শেখ হাসিনার দুঃশাসনের সেই অন্ধকার সময়ে মীর শাহে আলম দলীয় নেতাকর্মীদের বুকে সাহসের সঞ্চার করে বলতেন, “আপনারা সাহস রাখুন, ভরসা রাখুন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই এই স্বৈরাচারের পতন হবে। আর পুলিশের গুলি যদি লাগে, তবে আমার ছেলের বুকে আগে লাগবে; আপনারা কেবল পাশে থাকুন।
বাবার এই বীরত্বপূর্ণ আদর্শ বুকে ধারণ করে মীর সীমান্তও কুণ্ঠাবোধ করেননি এক মুহূর্তের জন্যও। রাজপথে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় বুক চিতিয়ে বলতেন, “পুলিশ গু'লি করলে আগে আমাকে করবে, তারপর আপনাদের। আপনারা আমার সাথে থাকুন!” হরতাল, অবরোধ কিংবা যেকোনো কঠিন কর্মসূচিতে সামনের সারিতে থেকে হাজারো নেতাকর্মীকে রাজপথে সংগঠিত রেখেছেন এই লড়াকু তরুণ নেতা।
কেবল রাজপথের সংগ্রামেই নয়, মেধা ও যোগ্যতায় তিনি অনন্য উচ্চতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি লন্ডনের বিশ্ববিখ্যাত 'ইউনিভার্সিটি অব এসেক্স' থেকে অত্যন্ত সাফল্যের সাথে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। বিদেশের বিলাসী জীবন, অঢেল সুযোগ-সুবিধা ও রাজকীয় জীবন তুচ্ছ করে বাংলার মাটিতে ফিরে এসে তরুণদের দিশা দেখাচ্ছেন।
বর্তমানে তিনি সফলভাবে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে প্রতিটি নেতাকর্মীর প্রাণের স্পন্দন তিনি। প্রশাসন, নেতৃত্ব ও সামাজিক অঙ্গনেও রয়েছে তাঁর একচ্ছত্র আধিপত্য। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন রূপসী বিডি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (MD) হিসেবে এবং সফল ভূমিকা রেখেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (BCB) সাবেক পরিচালক হিসেবে। তাঁর এই বহুমাত্রিক প্রতিভা ও যোগ্যতার কারণে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছে আজ এক সত্যিকারের আইকন।
রাজপথের অকুতোভয় সেনানী, উচ্চশিক্ষিত মেধাবী ও সফল সংগঠক হিসেবে শিবগঞ্জের আপামর জনগণের হৃদয়ে আজ স্থান করে নিয়েছেন মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। পিতার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর হাত ধরেই আগামী দিনে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

No comments