শিরোনাম

বগুড়ায় পুলিশের অভিযানে চোরচক্রের আস্তানা উন্মোচন, উদ্ধার ৬ মোটরসাইকেল

বগুড়া প্রতিনিধিঃ

একটি ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বগুড়া জেলা পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে মোট ৬টি চোরাই ও ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে চোর ও ছিনতাইকারী চক্রের ৭ সদস্যকে।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে বগুড়া সদর থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রায়হান উদ্দিন মোরাদ।

পুলিশ জানায়, গত ২৪ জুলাই গভীর রাতে রাজশাহী থেকে রংপুর যাওয়ার পথে বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে মহাসড়কের পাশে মোটরসাইকেল রেখে নামেন বরিশাল সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের নিরাপত্তা প্রহরী খোরশেদ আলম। সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা তার বাজাজ ডিসকাভার ১০০ সিসি মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ২৮ জুলাই তিনি সদর থানায় মামলা করেন।

মামলার পর সদর থানার ওসির নির্দেশনায় এসআই আনিসের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী বাজার থেকে চক্রের দুই সদস্য লাল মিয়া ও মাসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাজাহানপুর এলাকা থেকে মিলন, লিটন ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার করা হয় বৈধ কাগজপত্রবিহীন একাধিক চোরাই মোটরসাইকেল।

এদিকে, গত ২৬ জুলাই ভোরে গাইবান্ধা থেকে বগুড়া আসার পথে গোকুল ঈদগাহ মাঠ এলাকায় নেভি সিগারেট কোম্পানির কর্মী নাহান বাশার খান নাদিম ছিনতাইয়ের শিকার হন। দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে তার বাজাজ ডিসকাভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

পুলিশের উদ্ধার করা মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে নাদিম তার ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রায়হান উদ্দিন মোরাদ জানান, একটি মোটরসাইকেল উদ্ধারের অভিযান থেকেই ৬টি চোরাই ও ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা মোটরসাইকেল চুরি ও কেনাবেচা চক্রের সক্রিয় সদস্য। চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না এবং তাদের বিরুদ্ধে পূর্বের কোনো মামলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের আদালতে তুলে রিমান্ড আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

No comments