সোনাতলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: মুহূর্তেই পুড়ে ছাই ৫টি বাড়ি, নিঃস্ব পাঁচ পরিবার
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করার সুযোগ পাননি বাসিন্দারা। এতে পাঁচটি হতদরিদ্র পরিবার একেবারেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের রশিদপুর (মধ্যপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা হলেন— মো. ইউনুছ আলী বেপারী, তার ছেলে মৃত রফিকুল ইসলাম, ফরিদুল ইসলাম, শ্যামল ইসলাম ও সুজন মিয়া। অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পরিবারগুলোর ঘরে একবেলার খাবারও নেই, তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলামের ঘনিষ্ঠজন ও বালুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশাফুদৌলা সেক্সপেয়ার বিএনপি ও অঙ্গদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে বিষয়টি এমপিকে অবহিত করেন।
পরবর্তীতে এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে দ্রুত তাদের বসতবাড়ি পুনঃনির্মাণের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থাও নিতে বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বালুয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, যুবদল নেতা আশরাফুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান জিয়া, লেয়নসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
আশাফুদৌলা সেক্সপেয়ার জানান, এমপির নির্দেশনায় দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য নতুন ঘর নির্মাণ ও খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করা হবে, যাতে তারা খোলা আকাশের নিচে থাকতে বাধ্য না হন।
ক্ষতিগ্রস্ত ইউনুছ আলী বেপারী বলেন, “আমাদের সবকিছু পুড়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই। এই দুর্দিনে এমপি সাহেবের সহযোগিতায় ঘর পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা কৃতজ্ঞ।”
স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা জরুরি, যাতে তারা দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।
.jpeg)
No comments