শিরোনাম

টুঙ্গিপাড়ায় খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর প্রচারণায় বাধার অভিযোগ বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে

চ্যানেল টেন ডেস্ক ঃ

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) ১১ দলীয় জোট-সমর্থিত, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুল আজিজ মাক্কীর নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার বেলা ১১টায় গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল আজিজ মাক্কী বলেন, কয়েক দিন ধরে নেতা-কর্মীদের নিয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা ও খালেক বাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গেলে বিএনপির প্রার্থী এস এম জিলানীর কর্মী-সমর্থকেরা বাধা দেন। তাঁর অভিযোগ, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার মোল্লা ও তাঁর ভাই মিরাজ মোল্লার নেতৃত্বে তাঁদের প্রচারণায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। এ সময় উত্তেজনাকর স্লোগান দেওয়া হলে পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে।

আব্দুল আজিজ বলেন, ‘বিএনপির নেতা-কর্মীদের আচরণে আমাদের নেতা-কর্মীরা সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হন। আমি তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানাই। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যায়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না বলে আশ্বাস দেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তাঁরা নির্বাচনে সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ চান। বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ হবে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা কামনা করেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার মোল্লা বলেন, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী বা তাঁর সমর্থকদের প্রচারণায় কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে কিছু যুবক স্লোগান দিয়েছে, তবে কাউকে প্রচারণা চালাতে বাধা দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলম বলেন, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সকালে মোবাইল ফোনে অভিযোগ জানানোর পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুই পক্ষের মধ্যে কিছু বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

No comments