প্রাথমিকের সেই সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টায় শিক্ষামন্ত্রী
মামলার কারণে দীর্ঘদিন আটকে থাকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সব মিলে প্রাথমিকে ৬০ হাজার এবং মাধ্যমিকে আরও ১০ হাজার শিক্ষক বিশেষ ব্যবস্থায় নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সিলেট শিক্ষা বোর্ড এবং সিলেট অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
প্রাথমিকের শিক্ষক স্বল্পতার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষককে পদায়ন করা যায়নি। মামলা করে আটকে দিয়েছেন আত্তীকরণ শিক্ষকরা। এ ব্যাপারে বিগত সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি। আমি আসার পরেই এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিনা শর্তে স্যারেন্ডার করলাম যে এটা আমাকে করে দিতে হবে। ২৮৭ জন শিক্ষককে আত্তীকরণ করা হয়েছিল, সরকারি বিধিমালায় এটা হয় না বলে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদায়ন হয়নি।
এহছানুল হক মিলন বলেন, আমি বললাম আমি কোনো প্রতিযোগিতা করব না, অর্থাৎ ২৮৭ জন শিক্ষককে আমি নিয়ে নেব। কোনো অসুবিধা নেই। তাহলে আমি একসঙ্গে ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক পাচ্ছি। এই ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষককে যখন প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেব। সঙ্গে সঙ্গে ৩২ হাজার ৫০০ সহকারী শিক্ষক প্রয়োজন হবে। এর সঙ্গে আরও ১০ হাজার শিক্ষক অবসরে যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে ৬০ হাজার শিক্ষকের প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মাধ্যমিকের শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সাত হাজার শূন্য পদ রয়েছে। অবসর মিলে ১০ হাজার শিক্ষক প্রয়োজন। সেগুলো নন-ক্যাডারের মাধ্যমে নিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ চালিয়ে যাব।
মন্ত্রী জানান, বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষক নিয়োগ করার জন্য আজকালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারি সেই ব্যবস্থা আমাদের করতেই হবে।

No comments