শিরোনাম

ট্রাম্পের আহবানকে না বললো অস্ট্রেলিয়াও



চ্যানলে টেন ডেস্কঃ

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা রক্ষায় এবার আন্তর্জাতিক জোটে অংশ না নেয়ার কথা জানালো অস্ট্রেলিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে ট্রাম্পের আহবান ফিরিয়ে দেয় জাপান। আর দক্ষিণ কোরিয়া সরাসরি না বললেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।

সোমবার অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম ‘এবিসি’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পরিবহন মন্ত্রী ক্যাথেরিন কিং বলেন, আমরা হরমুজ প্রণালীতে কোনো নৌযান পাঠাচ্ছি না। এই জলপথটি বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা জানি, তবে বর্তমানে এই সামরিক তৎপরতায় আমরা অংশ নিচ্ছি না।

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ভুল বাণিজ্যনীতি’ সংশোধনের আহ্বান চীনেরযুক্তরাষ্ট্রকে ‘ভুল বাণিজ্যনীতি’ সংশোধনের আহ্বান চীনের

ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী আংশিক বন্ধ করে দেয়া এবং জাহাজ চলাচলে বাধার সৃষ্টির পর ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি চীন, ফ্রান্স, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়াকেও এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে পাহারা দেয়ার জন্য জাহাজ মোতায়েনের অনুরোধ করেন। ট্রাম্পের লক্ষ্য ছিল একটি সম্মিলিত আন্তর্জাতিক নৌ-প্রহরা গঠন করে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।

তবে জাপানের পর এবার অস্ট্রেলিয়াও এই আহ্বানে নেতিবাচক সাড়া দিল। বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যের এই ভয়াবহ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এড়াতেই ক্যানবেরা এমন সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরান ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে যে, আমেরিকা ও তার মিত্রদের জন্য এই পথ বন্ধ থাকবে। অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলো এই সংকটে সরাসরি পক্ষ না নিয়ে বরং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং কূটনৈতিক আলোচনার ওপরই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ড্রোন হামলায় দুবাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বন্ধড্রোন হামলায় দুবাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ

অস্ট্রেলিয়ার এই সিদ্ধান্তের ফলে হরমুজ প্রণালী রক্ষায় ট্রাম্পের পরিকল্পিত ‘আন্তর্জাতিক টাস্কফোর্স’ গঠনের প্রক্রিয়াটি বড় ধরনের ধাক্কা খেল। মিত্র দেশগুলোর এই অনীহা মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আমেরিকার একলা চলার সম্ভাবনাকেই আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র: এএফপি ও সিডনি মর্নিং হেরাল্ড


No comments