বিশ্বকাপে সিংহাসন ধরেই রাখছেন সাকিব!
সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে যাওয়ার দারুণ সম্ভাবনা ছিল রশিদ খান, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, অ্যাডাম জাম্পাদের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৫০-এর অধিক উইকেট শিকারের দারুণ সুযোগও ছিল তাদের। কিন্তু গ্রুপ পর্বেই আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়ার বিদায়ে রশিদ ও জাম্পার সম্ভাবনা শেষ; হাসারাঙ্গাও চোটে পড়ায় প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেছেন। এই তিন স্পিনারই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ায় আপাতত মনে হচ্ছে রেকর্ডটা সাকিবের কাছেই থাকছে। শ্রীলঙ্কা সুপার এইটে খেললেও নেই হাসারাঙ্গা। টুর্নামেন্টের শুরুটা তার জন্য দারুণ ছিল। প্রথম ম্যাচেই ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। ৩৭ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা হাসারাঙ্গা ৪০-এ গিয়ে আটকে গেলেন। অন্যদিকে, বল হাতে দারুণভাবে টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন জাম্পা। ওমানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নেন ৪ উইকেট। তাতে জাম্পার বিশ্বকাপে উইকেট দাঁড়িয়েছে ৪৪টি, সাকিবের পরই যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। জাম্পা টুর্নামেন্ট শুরু করেছিলেন ৩৬ উইকেট নিয়ে; তার দলও বিদায় নিল গ্রুপ পর্বে।
এ ছাড়া ৩৭ উইকেট নিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা রশিদ এই টুর্নামেন্টে খুব একটা ভালো করতে পারেননি। ৪ ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন মোটে ৬টি। ৪৩ উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিদের মধ্যে তিনে আছেন রশিদ। টুর্নামেন্টে টিকে থাকা বোলারদের মধ্যে সাকিবকে ছুঁতে পারেন দুজন। সেটাও কষ্টসাধ্য হতে পারে। একজন দক্ষিণ আফ্রিকার আনরিক নরখিয়া, আরেকজন ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ। দুজনেরই উইকেট ৩৭টি করে। লেগ স্পিনার আদিল রশিদ ইংল্যান্ডের মূল বোলার। এখন পর্যন্ত চার ম্যাচ খেলে উইকেট নিয়েছেন ৬টি। ইংল্যান্ড যদি ফাইনাল খেলে, তাহলে তিনি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন সর্বোচ্চ পাঁচ ম্যাচ। সাকিবকে পেরোতে তার লাগবে আরও ১৪ উইকেট; সম্ভব হলেও কঠিন অনেক। আর নরখিয়া এখন পর্যন্ত ম্যাচ খেলেছেন একটি। উইকেট নিয়েছেন দুটি। তার জন্যও সমীকরণ আদিল রশিদের মতোই।

No comments