শেরপুরের জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ২৪৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও প্রায় ৮০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ঝিনাইগাতী উপজেলায় গত ২৮ জানুয়ারি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান চলাকালে বসার চেয়ার নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম (৪২) নিহত হন।
এ ঘটনায় ১০ ফেব্রুয়ারি শালচুড়া গ্রামের আমজাদ ও ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত পৃথকভাবে মামলা দুটি দায়ের করেন। মামলায় শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম তাঁতীহাটি এলাকার আজহারু ইসলাম মাস্টার (৫০)কে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
এর আগে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার স্ত্রী মারজিয়া বেগম বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর ২৩১ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ আরও ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। তবে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেলসহ অধিকাংশ আসামি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা দুটি নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ৪ ফেব্রুয়ারি মারা যাওয়ায় এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

No comments