হোটেলে তারেক রহমানের মালিকানা আট বছর পর দুদক বলল সত্যতা মেলেনি
বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মালিকানা আছে-এমন অভিযোগে আট বছর পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বলল, এই অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। একের পর এক তারিখ দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল মালিকানা ট্যাগ লাগানোর অভিযোগটি।
এ ঘটনায় হোটেলটির স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা শোকরানা ও তাঁর সহধর্মিণী মোছা. নাজনীন বেগমের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দাখিল করা হয়। দীর্ঘ আট বছর পতিত শেখ হাসিনা সরকারের নির্দেশে অভিযোগটির তদন্ত চলমান রাখা হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিগত সরকারের পতন হলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয় থেকে অভিযোগটি নিষ্পত্তির জন্য আমলে নেওয়া হয়। গত মঙ্গলবার দুদক প্রধান কার্যালয় ওই অভিযোগ থেকে নিষ্পত্তির চিঠি পাঠানো হয়েছে।
দুদক উপ-পরিচালক রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনের স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা শোকরানা ও তার সহধর্মিণী মোছা. নাজনীন বেগমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগটির পরিসমাপ্তি করা হলো।
জানা গেছে, বগুড়া শহরের ছিলিমপুর এলাকায় অবস্থিত হোটেল নাজ গার্ডেন মুক্তিযোদ্ধা শোকরানা তার নিজস্ব জমিতে স্থাপন করেন ২০০৭ সালে এক-এগারো সরকার ক্ষমতায় এলে নাজ গার্ডেনে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালিকানা আছে- এমন অভিযোগ করা হয়।
সেই সময় তারেক রহমানের নিজস্ব তহবিল থেকে গরিবদের মাঝে বিতরণের জন্য কম্বল রাখা হয় হোটেলটির গোডাউনে। উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ ঘটনাকে পুঁজি করে তৎকালীন যৌথ বাহিনীর সদস্যরা শোকরানাকে এবং তৎকালীন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি সাইফুল ইসলামকে আটক করে। পরে জেলহাজতে প্রেরণ করে এক-এগারোর মঈন উদ্দিন ও ফখরুদ্দিন সরকার।
সেই সময় ক্যাঙ্গারু কোর্টের নির্দেশে শোকরানাকে দীর্ঘ এক বছর হাজতবাস করতে হয়।
এরপর দীর্ঘ আট বছর শেখ হাসিনা সরকারের নির্দেশে অভিযোগটির তদন্ত চলমান রাখা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয় থেকে অভিযোগটি নিষ্পত্তির জন্য আমলে নেওয়া হয়। এরপর মঙ্গলবার দুদক প্রধান কার্যালয় অভিযোগ থেকে তাদের মুক্তি দিয়ে চিঠি প্রেরণ করে।।

No comments