শিরোনাম

বগুড়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতারের পর ১৫১ ধারায় আদালতে প্রেরণ: ‘নেতা নয়’ দাবি পুলিশের



বগুড়া প্রতিনিধিঃ

বগুড়ার গাবতলীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতারের পর সন্দেহমূলক ফৌজদারি কার্যবিধির (১৫১) ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ক্ষুব্ধ হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। 

জানা যায়, গাবতলী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসা সরকার, এসআই ইউসুফ আলী, এসআই আব্দুর রশিদ, এসআই আসিফ ইকবাল, এসআই তৌহিদুল, এসআই জাহাঙ্গীর ও এ.এসআই শামীম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে গাবতলীর উপজেলা বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৪ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে। 

গ্রেফতারকৃতরা হলো, উপজেলা নাড়ুয়ামালা ইউনিয়নের মধ্যকাতুলী গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে আশিকুল ইসলাম ওরফে আশিক শাহ্, পাঁচকাতুলী মধ্যপাড়া গ্রামের ফরিদ উদ্দিনের ছেলে মুক্তার হোসেন (৩২), গাবতলী সদর ইউনিয়নের মোজাহার আলীর ছেলে আঃ রহিম রনি (৪০) এবং রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের শুভপাড়া গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে নজরুল সাকিদার (৫২)। 

গ্রেফতারকৃত অন্য তিনজন আওয়ামীলীগের কর্মী হলেও আশিকুল ইসলাম (ওরফে) আশিক নাড়ুয়ামালা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন বলে দাবী করেছেন, এলাকাবাসী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা। 

এদিকে আশিক প্রসঙ্গে নাড়ুয়ামালা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক মতি মেম্বার, নাড়ুয়ামালা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা হৃদয় হোসেন গোলজার, যুবদল নেতা সাগর হোসেনসহ অনেকে দাবি করেন, আশিক একজন আওয়ামীলীগ নেতা। আশিকের পরিবারের সবাই আওয়ামীলীগ করে। গত ৫ আগস্টের আগে আশিক নাড়ুয়ামালার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলো। 

গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন,“গ্রেফতারকৃত আসামিকে আমরা ফ্যাসিস্ট পরিচয়ে নয়, সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করেছি। সে কারণেই ১৫১ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। সে যে আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা—এমন কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ আমরা পাইনি। প্রমাণ পাওয়া গেলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

No comments